7th, December, 2022, 2:05 am

দেশের আলু ক্রয়ে আগ্রহ দেখাচ্ছে নতুন নতুন ক্রেতা দেশ

নিজেস্ব প্রতিনিধি : বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আলু রফতানির সম্ভাবনা উজ্জ্বল হচ্ছে। নতুন নতুন ক্রেতা দেশ বাংলাদেশ থেকে আলু কিনতে আগ্রহ দেখাচ্ছে। কিন্তু প্রয়োজনীয় অর্থায়নের অভাবে আলু রফতানি চাহিদা অনুযায়ী গতি পাচ্ছে না। বর্তমানে করোনা পরিস্থিতিতে বিশ্ব বাজারে আলুর চাহিদা বাড়লেও বিশ্ববাজারে সক্ষমতা হারিয়েছে প্রধান আলু রফতানিকারক দেশগুলো। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ থেকে আলু ক্রয়ের ব্যাপারে বিদেশী ক্রেতারা খোঁজখবর নিতে শুরু করেছে। এ বিষয়টি সম্প্রতি দেশের আলু রফতানিকারকদের পক্ষ থেকে চিঠি দিে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে। কৃষিপণ্য রফতানি বাণিজ্য সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, নভেল করোনা ভাইরাসজনিত কারণে রফতানি বাজারে চীনের রফতানি বন্ধ হওয়া, বিরূপ আবহাওয়াজনিত কারণে রফতানি বাজারে পাকিস্তানি আলুর সরবরাহ ঘাটতি এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে অভ্যন্তরীণ বাজারে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ভারতে আলুর দাম অনেক বেড়ে গেছে। ফলে বিশ্ববাজারে এখন আলু রফতানিতে বাংলাদেশের কোনো প্রতিযোগী নেই বললেই চলে। সেজন্যই বিদেশী নতুন নতুন ক্রেতা দেশ বাংলাদেশ থেকে আলু ক্রয়ে আগ্রহ দেখাচ্ছে এবং নিয়মিত খোঁজখবর নিচ্ছে। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশ একটি নির্ভরযোগ্য আলু রফতানিকারক দেশে হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়া অনেকটাই সহজ। আর যা দেশের বৃহত্তম স্বার্থে একান্ত প্রয়োজন। সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে চলতি অর্থবছরের ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) মোট ৩০ হাজার ৫৬৭ টন আলু রফতানি হয়েছে। আর ওই রফতানির ৮০ শতাংশই এককভাবে মালয়েশিয়ায় গেছে। বাকিটা সিঙ্গাপুর, শ্রীলংকা, আরব আমিরাত, সৌদি আরব, ব্রুনাই ও কুয়েতে রফতানি হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে নভেল করোনা ভাইরাসজনিত লকডাউন অবস্থায় শুধু প্রয়োজনীয় অর্থায়নের অভাবে দেশ থেকে আলু রফতানি চাহিদা অনুযায়ী গতি পাচ্ছে না। সূত্র আরো জানায়, বর্তমানে দেশে আলুর উৎপাদন বছরে ৫ দশমিক ১৯ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়ে এক কোটি টন ছাড়িয়ে গেছে। আলুর বার্ষিক অভ্যন্তরীণ চাহিদা প্রায় ৭০ লাখ টনের মতো। ওই হিসাবে দেশে প্রায় ৩০ লাখ টন আলু অতিরিক্ত থাকছে। রফতানি উপযোগী আলু উৎপাদনে উন্নত মানের বীজের ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে বাংলাদেশ থেকে স্থায়ীভাবে বৃহৎ পরিসরে আলু রফতানির সুযোগ রয়েছে। এদিকে এ প্রসঙ্গে দেশের শীর্ষস্থানীয় আলু রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান এগ্রিকনসার্ন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. শেখ আবদুল কাদের জানান, বিশ্বের বহু দেশের প্রধান খাদ্য আলু। এই খাদ্যপণ্যটির চাহিদা নেই বিশে^ এমন দেশ খুঁজে পাওয়া যাবে না। বর্তমানে করোনা ভাইরাসজনিত পরিস্থিতিতে বিভিন্ন রফতানি খাতের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়লেও দেশের আলু রফতানির বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে। নতুন নতুন ক্রেতা আমদানির উদ্দেশ্যে এদেশের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে রফতানিকারকদের অর্থ সংকট রয়েছে। এ খাতে প্রয়োজনীয় ঋণ পাওয়ার পর তা স্বল্প সময়ের মধ্যে রফতানি আয় থেকে আদায়যোগ্য হবে। সেক্ষেত্রে প্রতিবেশী দেশের মতো এদেশেও এর উৎপাদনসংশ্লিষ্ট সবকিছুর আমদানি প্রক্রিয়ায় এনবিআরকে আন্তরিকতার সঙ্গে বিবেচনায় আনতে হবে। অন্যদিকে এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম কাস্টমসের কমিশনার মোহাম্মদ ফখরুল আলম জানান, আগামপত্র দাখিল হওয়ার পর শুল্কায়ন প্রক্রিয়া কীভাবে আরো দ্রুত সম্পন্ন করা যায়, সেভাবেই কাস্টমসের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে বাণিজ্যিক কিছু পণ্যের ক্ষেত্র সীমিত করে রাখা হলেও রফতানি কার্যক্রম সব সময়েই পুরোপুরি সচল রাখা হয়েছে। আর তাতে অগ্রাধিকারও সর্বোচ্চ

Comments are closed.

     More News Of This Category

follow us on facebook page

error: sorry please