আজ [bangla_date], [english_date]

ঘুড়ি উৎসবে বসন্ত বরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক :  কারও হাতে নাটাই, রঙ বেরঙের ঘুড়ি। আবারও কারও হাতে ফুল। কেউবা কিনছেন পিঠা-পুলি। আবার শিশুরা উঠছে নাগরদোলাসহ বিভিন্ন রাইডে। শনিবার হবিগঞ্জ জেলা শহরের জালাল স্টেডিয়ামে শিশু, নারী আর বিভিন্ন বয়সী লোকজনের উপস্থিতি উৎসব মুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হল ঘুড়ি উৎসব আর বসন্ত বরণ। করোনার জন্য দুই বছর বন্ধ থাকার পরও দুই শুণ্য ছয় পরিবারের এই আয়োজনে রীতিমত ঢল নেমেছিল জালাল স্টেডিয়ামে। উৎসবে বিক্রি হয়েছে ৫শতাধিক ঘুড়ি। ফুল, পিঠাসহ শতাধিক স্টলে বিক্রি হয়েছে হরেক রকম খাবার আর খেলনা। উৎসবে আসা লোকজন এই আয়োজনকে নিয়মিত করার আহবান জানান।

প্রধান অতিথি হবিগঞ্জ-৩ আসনের এমপি এডভোকেট মো. আবু জাহির উৎসবকে অব্যাহত রাখতে ১ লাখ টাকার অনুদান ঘোষণা করেন। আয়োজকরা উৎসব থেকে যে আয় করে তা ব্যয় করে পথ শিশুদের কল্যাণে। বসন্ত বরণ ও ঘুড়ি উৎসবে আসা স্কুল শিক্ষিকা শর্বানী দাশ বলেন, নাগরিক কোলাহলে হবিগঞ্জ শহরের বিনোদনের কোন সুযোগ নেই। গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘুড়ি উৎসব আয়োজন করায় শিশুরা হারানো ঐতিহ্যের সাথে পরিচিত হতে পারছে। এটি শুধুই উৎসব নয়, বরং এটি একটি মিলন মেলা।

উৎসবে আসা অতিথি বাপার সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল সোহেল বলেন, এই উৎসব আমাদের গ্রাম বাংলার আবহমান ঐতিহ্য তুলে ধরেছে। লোকজনের উপস্থিতি প্রমাণ করে এই শহরবাসী কতটা বিনোদন বঞ্চিত। এ ধরনের উৎসব নিয়মিত আয়োজন করা হলে নতুন প্রজন্ম নিজেদের শিকরের সাথে পরিচিত হতে পারে। অনুষ্ঠানের সভাপতি আব্দুল করিম জনি বলেন, করোনার কারনে দুই বছর উৎসবটি বন্ধ ছিল। এবার নতুন নতুন আইটেম যুক্ত করে উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এই উৎসব অব্যাহত থাকবে। নতুন প্রজন্মের শিশুরা ঘুড়ির সাথে পরিচিত নয়। আর শহরে ঘুড়ি ওড়ানোর স্থানই আর নেই। তাই নতুন প্রজন্ম যাতে নিজেদের ঐহিত্য সম্পর্কে জানতে পারে তার জন্যই আমরা এই উৎসব আয়োজন করে থাকি।

Comments are closed.

     More News Of This Category

follow us on facebook page